নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেয়ার পর দেড় মাস পূর্ণ হয়েছে। গণভোটে হ্যাঁ বিজয়ী হওয়ায়, ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার কথা। সে হিসেবে প্রায় ২৫% সময় (৪৫ দিন) অতবাহিত হয়েছে। এই সময়ে গণভোটের রায়, সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতিবেদন ও নিউজ আর্কাইভ প্রকাশ করা হলো।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীরা শপথ নেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শপথের জন্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুটি ফরম দেওয়া হয়। এর একটি ছিল সাদা রঙের, যেটি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম। অন্যটি ছিল নীল রঙের, যেটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায়, “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫” অনুযায়ী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ প্রতিনিধিগণ একইসাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করার কথা। তবে নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে কক্সবাজার–১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাঁরা সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হননি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার হলে, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের ফরম যুক্ত হলে, কে এই শপথ পড়াবেন তা নির্ধারিত হলে, তখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া যাবে।” তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে সহকর্মীদের জানান।
বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিলে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা কোনো শপথ নেবেন না বলে প্রাথমিকভাবে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমে জানিয়েছিলেন। তবে ওইদিন জামায়াতসহ বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যবৃন্দ একইসাথে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
১৭ ফেব্রুয়ারিতেই ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ। পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারিতে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’-এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।।
২ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জুলাই জাতীয় সনদের সমঝোতার প্রতি সম্মান জানিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের পদটি প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামকে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন ছাড়া জামায়াত এই পদটি নিতে চায় না।
৩ মার্চ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ-সংক্রান্ত পৃথক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। পরবর্তী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ। আর রিটের বিপক্ষে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন এবং জামায়াতের মোহাম্মদ শিশির মনির ও ইমরান এ সিদ্দিক।
১০ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের বক্তব্য ছিল—যদি গণভোটের রায়কে আমরা সম্মান দিতে চাই, জাতীয় সংসদে আগে যেতে হবে। সেখানে আলাপ-আলোচনা করতে হবে। আইন প্রণয়ন করতে হবে। সংবিধানে সেটা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তারপরে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়, সেটা সেখানেই নির্ধারণ করা হবে এবং কোন ফর্মে শপথ হবে সেটা তৃতীয় তফসিলে আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “শপথ বাক্য কে পাঠ করাবেন সেটা নির্ধারিত হবে। তারপরে এটা বিধিসম্মত হবে। কিন্তু আজ যাদেরকে জবরদস্তিমূলক শপথ পড়ানো হলো, যিনি জবরদস্তিমূলক শপথ পড়ালেন সেটা সংবিধান রক্ষণ হয়েছে কিনা অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের দেখার দায়িত্ব। কারণ বিচারকরা শপথ নিয়েছেন সংবিধান রক্ষণের এবং এই সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য।”
১২ মার্চ প্রথম সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ দিন বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কথা বলা হলেও বিস্তারিত কোনো আলোচনা হয়নি। তবে ১৫ মার্চ দ্বিতীয় অধিবেশনে বিষটি গুরুত্ব পায় এবং নানান আলোচনা ও বিতর্ক হয়।
বাস্তবায়ন আদশ অনুসারে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হওয়ার মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার কথা, যে সময়সীমা অধিবেশনের ২য় দিন অরত্থাত ১৫ মার্চে শেষ হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ পঞ্জিকা দিবসের মধ্যে যে পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করা হয়, অনুরূপ পদ্ধতিতে পরিষদের প্রথম অধিবেশনও আহ্বান করতে হবে। আজ (গতকাল) সেই ৩০তম দিন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন। আমরা ধরে নিচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই হয়তো রাষ্ট্রপতি এ অধিবেশন আহ্বান করবেন, কিন্তু সময় পার হয়ে যাচ্ছে।’
এর উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের না। পরিষদের বিষয়টি এখনো বিচারাধীন। সংবিধানে “সংস্কার পরিষদ” বলতে কিছু নেই। জুলাই সনদে যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। এটি যদি আইনে পরিণত হয়, তখন দেখা যাবে। আর বিষয়টি এখনো উচ্চ আদালতে বিচারাধীন।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যদি গণভোটের রায় অনুসারে সেটা ধারণ করতে হয় কনস্টিটিউশনে সেটা সংবিধানের আগে সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ-আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন হলে সেটা সংবিধানে ধারণ হবে। তারপর যদি পরিষদ হয়, তারপর যদি ফর্ম হয়, যদি শপথ গ্রহণ করতে হয়, সেটা পরের ব্যাপার।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ অপশন থাকলেও মাঝপথে একটি আদেশের মাধ্যমে চারটি জটিল প্রশ্ন যুক্ত করা হয়েছিল। ব্যালটের প্রশ্নগুলো পড়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন ছিল এবং চারটি প্রশ্নের জন্য আলাদা ‘হ্যাঁ/না’ অপশন ছিল না। এ সংবিধান সংস্কারের বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোটের সার্টেন পোরশন কেন আনকনস্টিটিউশনাল ডিক্লেয়ার করা হবে না, সেই মর্মে রুলও জারি করা হয়েছে। এখানে হয়তো জুডিশিয়ারি মতামত দেবে, বাট জুডিশিয়ারির মতামত এ সভরেন পার্লামেন্টের ওপরে কখনো বাইন্ডিং না। কিন্তু সংসদ এমন কোনো আইন করতে পারে না, যা বিচার বিভাগে চ্যালেঞ্জ হয়ে বাতিল বা অসাংবিধানিক হয়ে যায়। সুতরাং উভয়দিকে লক্ষ্য রেখে বৃহত্তর স্বার্থে আইনানুগভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে যেতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘গণভোটের জন্য আরেকটা আইন হয়েছে। বিএনপিও এটা প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু মাঝখানে আদেশটা জারি করে গণভোট দেয়া হলো চারটা প্রশ্ন। যে প্রশ্নের মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্ন জুলাই জাতীয় সনদের সমঝোতা হয়নি। এটা একটা জবরদস্তিমূলক আরোপিত আদেশ করে সে আদেশের একটা প্রশ্ন গণভোটের মধ্যে দেয়া হয়। চারটা প্রশ্ন হলেও মানুষ কোন কোন প্রশ্নে হ্যাঁ, কোন কোন প্রশ্নে না বলবে সে বিকল্প ছিল না। তারপরও গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, সংবিধানে আগে সংস্কার আসতে হবে।’
চলতি অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনা যাবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৩৩টা অধ্যাদেশ এখানে উত্থাপিত হয়েছে প্রথম দিনে। কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে যদি সিদ্ধান্ত হয়, সংসদ যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপন হতে পারে।’
পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আপনি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন। এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন দ্য স্পট সলিউশন দেয়া যায় না। এটার জন্য আপনি নোটিস দেবেন। নোটিস পাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত দেব।’
কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি আলোচনার যে প্রস্তাব দিয়েছেন, এ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটাকে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বিষয় মনে করি না। এটি সরাসরি সংসদের বিষয়। আমরা চাই সংসদেই এর চূড়ান্ত সমাধান হোক।’
২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে ঈদের পর পুনরায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশন চলাকালীন জুলাই সনদ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে ‘গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম’-এর ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
গণভোট অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করা হবে না বলে জানায় বিএনপি। ফলে অধ্যাদেশটি আগামী ১২ এপ্রিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সালাহউদ্দিন আহমেদ যুক্তি দেন, “গণভোট হয়ে গেছে। অধ্যাদেশটির আর সামনে কোনো ব্যবহার নেই। গণভোট অধ্যাদেশ সংবিধানের অংশ নয়। সংবিধানে না থাকলে গণভোট হবে না, সংবিধানে এমন বিধান নেই। গণভোট আয়োজনে একটি অধ্যাদেশ করা হয়েছিল। গণভোট হয়েছে। এই অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়েছে। এর কোনো বিরোধিতা নেই। এই অধ্যাদেশকে সংসদে ধারণ করে ভবিষ্যতে ব্যবহার করার আর কিছু নেই।” অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে গণভোট অবৈধ হয়ে যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার এর জবাবে লেখেন, “সরকারি দলের এমপিরা বিভিন্ন ফোরামের আলাপে গিয়ে বলছেন, গণভোট একটি ‘মোর্যাল অবলিগেশন’; যার অন্তর্নিহিত অর্থ হচ্ছে, আমরা এটি বাস্তবায়নে বাধ্য নই। তবে ‘উদারতা’ দেখিয়ে যতটুকু ‘সম্ভব’ আমরা বাস্তবায়ন করব।” তিনি আরও লেখেন, “গণভোট অধ্যাদেশের যদি ভবিষ্যত উপযোগিতা না-ই থাকে, তাহলে এটিকে আইনে রূপান্তরে সমস্যা কোথায়? এটি কেন সুপ্ত (dormant) অবস্থায় থাকতে পারবে না? অথবা গণরায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে চাইলে সরকার কেন অধ্যাদেশটিতে সংশোধনী এনে এ’কে আইনে রূপ দেয়ার কথা ভাববে না? যেখানে লেখা থাকবে গণভোট বাস্তবায়নের সাথে সাথে এই আইনটি ইনঅপারেটিভ হিসেবে বহাল থাকবে।”
৩১ মার্চ সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের জন্য জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশকে জাতির প্রতারণার দলিল হিসেবে আখ্যা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এটি অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল। এ সময় সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করেন তিনি।
সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ক নিউজ আর্কাইভ
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি বিএনপির সংসদ সদস্যরা | প্রথম আলো
বিএনপি শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে এখন কী হবে – BBC News বাংলা
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ প্রস্তাব করা হয়নি, আমরাও শপথ নেইনি: সালাহউদ্দিন
সংবিধান সংশোধন ছাড়া সংস্কার পরিষদের শপথ সম্ভব নয়: আমীর খসরু
বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না
সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকে উপেক্ষা করেছে সরকারি দল: জামায়াত আমির
দুই শপথই নিলেন জামায়াত জোটের সংসদ সদস্যরা | দৈনিক নয়া দিগন্ত
গণভোটের ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট | The Daily Star
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জুলাই জাতীয় সনদের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট | প্রথম আলো
১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গণভোটে রাজি না হলে নির্বাচন দিত না, তাই রাজি হওয়া : মেজর হাফিজ
গণভোটের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই: মেজর (অব) হাফিজ | DBC NEWS
সংবিধান সংস্কার পরিষদ ছাড়া এই সংসদের মূল্য নেই: নাহিদ ইসলাম
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যকারিতায় অনিশ্চয়তা
২ মার্চ, ২০২৬
জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদে নাম ঠিক করতে বলেছে বিএনপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রথম আলো
গণভোট নিয়ে আলোচনা আদালতে নয়, সংসদে হওয়া উচিত: জামায়াত
বিএনপি জুলাই সনদ নিয়ে একধরনের ‘ডুয়েল গেম’ খেলছে: আসিফ মাহমুদ | প্রথম আলো
৩ মার্চ, ২০২৬
সনদ বাস্তবায়নের পরে ডেপুটি স্পিকার পদ চায় জামায়াত
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট কেন অবৈধ নয়— হাইকোর্টের রুল
৮ মার্চ, ২০২৬
জুলাই সনদ নিয়ে আদালতের রুল জারি এখতিয়ার বহির্ভূত: বদিউল আলম
৯ মার্চ, ২০২৬
১০ মার্চ, ২০২৬
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন | প্রথম আলো
সংবিধান মেনেই আমরা এ পর্যন্ত এসেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | The Daily Star
ভিডিও: জুলাই সনদের প্রতিটা শব্দকে আমরা ধারণ করি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে এ সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে: নাহিদ ইসলাম
১০ মার্চ, ২০২৬
‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন | প্রথম আলো
১৩ মার্চ, ২০২৬
জুলাই সনদ নিয়ে অহেতুক সৃষ্ট বিতর্ক কার্যকর সংসদের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ: স্পিকার
১৫ মার্চ, ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন অনিশ্চিত
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে টানাপোড়েন সংসদে উত্তাপের আভাস
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে নতুন করে উত্তাপ | প্রথম আলো
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আবেগ নয়, চলতে হবে সাংবিধানিক পথে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – MZamin
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার বিতর্ক | বণিক বার্তা
১৬ মার্চ, ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের পক্ষে-বিপক্ষে বাহাস
১৭ মার্চ, ২০২৬
পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ
১৮ মার্চ, ২০২৬
জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবে সরকার
২৫ মার্চ, ২০২৬
গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল ও সরকারি দলের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য | প্রথম আলো
গণভোট ও দুদক সংস্কার প্রস্তাবে জামায়াতের তীব্র বিরোধিতা
ব্যাংক খাত সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থান লিখিতভাবে জানতে চায় আইএমএফ | প্রথম আলো
২৬ মার্চ, ২০২৬
গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে টানাপোড়েন
জুলাই সনদ ও সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না
গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে টানাপোড়েন
২৮ মার্চ, ২০২৬
সংবিধানের দোহাই দিয়ে বিএনপি গণভোটের রায়কে অস্বীকার করছে: নাহিদ ইসলাম | প্রথম আলো
সংবিধানের প্রতি ‘অতিভক্তি’ বন্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে: ইসলামী আন্দোলন | প্রথম আলো
শ্রম অধ্যাদেশকে আইন করার দাবি | প্রথম আলো
২৯ মার্চ, ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদ ভবনের সামনে মানববন্ধন | প্রথম আলো
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে আলোচনা প্রশ্নে সংসদে বিতর্ক, হট্টগোল | প্রথম আলো
জুলাই সনদের আলোচনা নিয়ে উত্তপ্ত সংসদ
৩০ মার্চ, ২০২৬
বিশেষ কমিটির বৈঠক: গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হচ্ছে, উঠবে না সংসদে
৩১ মার্চ, ২০২৬
কমিটি গঠনের পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব: জুলাই আদেশকে প্রতারণা বলায় সংসদে বিতর্ক
সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে সংসদে বিতর্ক, পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব | প্রথম আলো
‘How effective was the constitution during Aug 5-8, 2024?’ asks Akhter Hossen
